ইরেক্টাইল ডিসফাংশন নিয়ে অনেকেই লজ্জায় কথা বলতে চান না। ওষুধের দোকান থেকে কিছু ট্যাবলেট কিনে খেয়ে দেখেন, না হলে ইন্টারনেটে খুঁজে খুঁজে হয়রান হন। কিন্তু আসল সমস্যা হলো, বেশিরভাগ সময় এসব সমাধান সাময়িক, স্থায়ী কিছু না। যদি আপনি ঢাকায় থেকে এই সমস্যার একটা সত্যিকারের সমাধান খুঁজছেন, তাহলে এই লেখাটা আপনার জন্যই।

শুধু ওষুধ কেন যথেষ্ট না
ভায়াগ্রা বা এই ধরনের ওষুধ সাময়িকভাবে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু সমস্যার মূল কারণ ঠিক করে না। ওষুধের কার্যকারিতা শেষ হলে সমস্যা আবার ফিরে আসে। ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের আসল কারণ হতে পারে রক্তনালীর সমস্যা, নার্ভের সমস্যা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, অথবা এগুলোর সংমিশ্রণ। শুধু একটা ট্যাবলেট দিয়ে এই মূল কারণগুলো ঠিক করা যায় না।
এখানেই একটা সঠিক ক্লিনিকের গুরুত্ব বোঝা যায়। সঠিক চিকিৎসা কেন্দ্র প্রথমে আপনার সমস্যার আসল কারণ খুঁজে বের করে, তারপর সেই অনুযায়ী চিকিৎসা পরিকল্পনা করে।
সমস্যা কখন বুঝবেন
অনেকে বছরের পর বছর অপেক্ষা করেন, ভাবেন সমস্যা এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে। সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে ইরেকশন ধরে রাখতে কষ্ট হওয়া, যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া, এবং বয়স ৪০ পার হওয়ার পর সকালের ইরেকশন কমে যাওয়া। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এরেকশন সমস্যা কি সবসময় রক্তনালীর কারণে হয় পড়তে পারেন। অনেক সময় স্নায়ু বা হরমোনজনিত কারণেও এই সমস্যা হয়, যা একটা প্রপার চেকআপ ছাড়া বোঝা কঠিন।
যত তাড়াতাড়ি চিকিৎসা শুরু করবেন, ততই ভালো ফলাফল পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
একটা ভালো ক্লিনিকে কী থাকা উচিত
প্রথমেই দরকার সঠিক ডায়াগনসিস। চিকিৎসা শুরুর আগে রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, এবং রক্তনালীর অবস্থা পরীক্ষা করা জরুরি। যদি কোনো ক্লিনিক এসব বাদ দিয়ে সরাসরি প্যাকেজ বিক্রি করতে চায়, বুঝবেন এটা ঠিক জায়গা না।
বর্তমানে সবচেয়ে কার্যকর অ-অস্ত্রোপচার চিকিৎসা হলো লো-ইনটেনসিটি শকওয়েভ থেরাপি, যা ফোকাসড শকওয়েভ থেরাপি নামেও পরিচিত। এই থেরাপি পেনাইল টিস্যুতে নতুন রক্তনালী তৈরি করতে সাহায্য করে, ফলে রক্ত চলাচল স্বাভাবিকভাবে উন্নত হয়। অনেক ক্ষেত্রে এর সাথে প্রায়াপাস শট (পিআরপি থেরাপি) যুক্ত করা হয়, যা নিজের রক্তের প্লাজমা ব্যবহার করে টিস্যু মেরামতে সাহায্য করে।
কাদের ঝুঁকি বেশি
দীর্ঘসময় বসে কাজ করা মানুষদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। যদি আপনার প্রশ্ন থাকে বেশি বসে থাকলে কি যৌন দুর্বলতা হয়, উত্তর হলো হ্যাঁ, বিশেষ করে যারা দিনে আট ঘণ্টার বেশি ডেস্কে বসে থাকেন। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি ব্যথার সমস্যা থাকলেও শরীরের সার্বিক রক্ত চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে, যা পরোক্ষভাবে এই সমস্যার সাথে যুক্ত। এই বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি ব্যথার চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত পড়তে পারেন।
চিকিৎসা প্রক্রিয়া কেমন হয়
ACRT BD-তে চিকিৎসা শুরু হয় একটা পূর্ণাঙ্গ কনসালটেশন দিয়ে, যেখানে আপনার সমস্যা এবং স্বাস্থ্য ইতিহাস বিস্তারিত জানা হয়। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী এলআই-ইএসডব্লিউটি চিকিৎসা শুরু হয়, কিছু ক্ষেত্রে প্রায়াপাস শটের সাথে মিলিয়ে। এই চিকিৎসাগুলো আউটপেশেন্ট পদ্ধতি, মানে কোনো অস্ত্রোপচার লাগে না এবং একই দিনে বাসায় ফিরতে পারবেন। বেশিরভাগ রোগী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই উন্নতি টের পান, আর পূর্ণ ফলাফল পেতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।
যদি এর সাথে পেরোনিস ডিজিজ এর মতো সমস্যাও থাকে, সেটাও একই চিকিৎসা পরিকল্পনার মধ্যে সমাধান করা হয়।
এখনই যোগাযোগ করুন
এই সমস্যা নিয়ে আর অপেক্ষা করার দরকার নেই। ACRT BD ঢাকায় সম্পূর্ণ অ-অস্ত্রোপচার পদ্ধতিতে ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের চিকিৎসা দিয়ে থাকে, সঠিক ডায়াগনসিসের ভিত্তিতে, কোনো আন্দাজ-অনুমানের ভিত্তিতে না।
আপনার কনসালটেশন বুক করতে বা যেকোনো প্রশ্নের জন্য সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন +৮৮০ ১৯৭৭-৬৫৬২৩৭ নম্বরে। আরও বিস্তারিত জানতে দেখুন আমাদের ইরেক্টাইল ডিসফাংশন ট্রিটমেন্ট পেজ।
এই সমস্যা নিয়ে চুপ করে থাকার দরকার নেই। আজই যোগাযোগ করুন, সঠিক পরামর্শ নিন।